ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলালের উদ্যোগে পরিত্যক্ত পূর্ত আবাসনে দুষ্কৃতী ও নেশাখোরদের আড্ডা বন্ধ, তালা লাগাল প্রশাসন, বাড়ল পুলিশি নজরদারি

বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলালের উদ্যোগে পরিত্যক্ত পূর্ত আবাসনে দুষ্কৃতী ও নেশাখোরদের আড্ডা বন্ধ, তালা লাগাল প্রশাসন, বাড়ল পুলিশি নজরদারি

অভিজিত চক্রবর্তী, নয়া জামানা, আলিপুরদুয়ার: শহরের পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা পূর্ত দফতরের আবাসন ঘিরে দুষ্কৃতী ও নেশাখোরদের আড্ডা বসার অভিযোগ উঠছিল। অবশেষে আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল-এর উদ্যোগে প্রশাসন সক্রিয় হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিল।....

বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলালের উদ্যোগে পরিত্যক্ত পূর্ত আবাসনে দুষ্কৃতী ও নেশাখোরদের আড্ডা বন্ধ, তালা লাগাল প্রশাসন, বাড়ল পুলিশি নজরদারি

অভিজিত চক্রবর্তী, নয়া জামানা, আলিপুরদুয়ার: শহরের পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


অভিজিত চক্রবর্তী, নয়া জামানা, আলিপুরদুয়ার:  শহরের পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা পূর্ত দফতরের আবাসন ঘিরে দুষ্কৃতী ও নেশাখোরদের আড্ডা বসার অভিযোগ উঠছিল। অবশেষে আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল-এর উদ্যোগে প্রশাসন সক্রিয় হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিল।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওই পরিত্যক্ত কোয়ার্টারগুলিতে সন্ধ্যার পর নিয়মিত নেশার আসর বসত। সেখান থেকে নেশাগ্রস্ত দুষ্কৃতীরা এলাকায় চুরি সহ নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছিল। সম্প্রতি এলাকায় একাধিক চুরির ঘটনার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা বিধায়কের কাছে অভিযোগ জানান।
অভিযোগ পাওয়ার পর বুধবার পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের দুর্গাবাড়ি হাটখোলা এলাকায় অবস্থিত পরিত্যক্ত কোয়ার্টারগুলি বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে পরিদর্শন করেন পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে আপাতত ওই কোয়ার্টারগুলিতে তালা লাগানো হয়। পাশাপাশি বিধায়কের অনুরোধে পূর্ত দফতর ওই আবাসন সংলগ্ন গোডাউন ও আশপাশের জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করার কাজও শুরু করে।
এদিকে মঙ্গলবার স্থানীয় বাসিন্দারা এই বিষয়ে লিখিত স্মারকলিপি জমা দেন আলিপুরদুয়ার থানা-য়। এরপর পুলিশও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে নজরদারি বাড়ায়।
বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল জানান, ওই এলাকায় পূর্ত দফতরের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পরিত্যক্ত ওই কোয়ার্টারগুলিতে আশপাশের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র স্থানান্তরের বিষয়ে জেলা প্রশাসন উদ্যোগ নিলে স্থায়ীভাবে সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।


 

আরও পড়ুন-

হুমায়ুনের বাবরি নির্মাণে থাকল না আইনি বাধা, সুপ্রিম কোর্টে খারিজ জনস্বার্থ মামলা

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর