ব্রেকিং
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • উত্তরবঙ্গের মাটিতে প্রথমবার বৃহৎ পরিসরে রাজবংশী ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবন, ধূপগুড়িতে বসন্তবরণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রাচীন ‘ত্যারেয়া ফেলা’ ও ‘রাখালসেবা’ উৎসব

উত্তরবঙ্গের মাটিতে প্রথমবার বৃহৎ পরিসরে রাজবংশী ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবন, ধূপগুড়িতে বসন্তবরণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রাচীন ‘ত্যারেয়া ফেলা’ ও ‘রাখালসেবা’ উৎসব

অশোক মিত্র, নয়া জামানা, ধূপগুড়ি: বসন্তের ছোঁয়ায় যখন প্রকৃতি পলাশ-শিমুলের রঙে রাঙা, ঠিক তখনই এক হারিয়ে যাওয়া লোকঐতিহ্যকে নতুন করে প্রাণ দিতে উদ্যোগী হয়েছে ধূপগুড়ি। রাজবংশী সমাজের প্রাচীন কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে এই প্রথমবার উত্তরবঙ্গ-এর মাটিতে বৃহৎ আকারে....

উত্তরবঙ্গের মাটিতে প্রথমবার বৃহৎ পরিসরে রাজবংশী ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবন, ধূপগুড়িতে বসন্তবরণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রাচীন ‘ত্যারেয়া ফেলা’ ও ‘রাখালসেবা’ উৎসব

অশোক মিত্র, নয়া জামানা, ধূপগুড়ি: বসন্তের ছোঁয়ায় যখন প্রকৃতি পলাশ-শিমুলের রঙে রাঙা, ঠিক তখনই এক হারিয়ে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


অশোক মিত্র, নয়া জামানা, ধূপগুড়ি: বসন্তের ছোঁয়ায় যখন প্রকৃতি পলাশ-শিমুলের রঙে রাঙা, ঠিক তখনই এক হারিয়ে যাওয়া লোকঐতিহ্যকে নতুন করে প্রাণ দিতে উদ্যোগী হয়েছে ধূপগুড়ি। রাজবংশী সমাজের প্রাচীন কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে এই প্রথমবার উত্তরবঙ্গ-এর মাটিতে বৃহৎ আকারে আয়োজিত হতে চলেছে ঐতিহ্যবাহী ‘ত্যারেয়া ফেলা’ ও ‘রাখাল সেবা’ উৎসব।
ধূপগুড়ির কালীরহাট এলাকার দেবীডাঙ্গা-তে আয়োজিত এই উৎসবকে ঘিরে ইতিমধ্যেই জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। আয়োজকদের বক্তব্য, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গ্রামবাংলার বহু লোকাচার হারিয়ে যাচ্ছে। তারই মধ্যে অন্যতম ‘ত্যারেয়া ফেলা’—একসময় যার মাধ্যমে শীতকে বিদায় জানিয়ে বসন্তকে স্বাগত জানানো হতো। সেই প্রথাকেই নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে উদ্যোগ নিয়েছে দেবীডাঙ্গা ত্যারেয়া উৎসব কমিটি।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে গ্রামের মা-মেয়ে, বুড়ো-বুড়ি থেকে শুরু করে শিশু-কিশোর—সবাই একত্রিত হয়ে ত্যারেয়া ফেলার আচার পালন করবেন। এই শোভাযাত্রা উৎসবের মূল আকর্ষণ হতে চলেছে। পাশাপাশি নদীর তীরে গবাদি পশুদের স্নান করিয়ে ধর্মীয় রীতিনীতিও পালন করা হবে। আয়োজকদের দাবি, এই আচার প্রাচীন ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে যুক্ত, যার উল্লেখ পাওয়া যায় মহাভারত-এর যুগের লোকাচারে।
উৎসবের অন্যতম অংশ হিসেবে থাকছে ‘রাখাল সেবা’, ভাগবত পাঠ এবং সবশেষে রাখাল সেবার প্রসাদ বিতরণ। ধর্মীয় আচার ও সামাজিক সম্প্রীতির মেলবন্ধনে এই উৎসব বিশেষ গুরুত্ব পেতে চলেছে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।
এই প্রথম এত বড় আকারে ত্যারেয়া উৎসব পালনের উদ্যোগ ঘিরে ধূপগুড়ি সহ সমগ্র উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই উৎসাহ ও কৌতূহল তুঙ্গে। উৎসব কমিটির পক্ষ থেকে সকলকে সপরিবারে এই ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।


 

আরও পড়ুন-

মালয়ের মাটিতে নেতাজি-স্মরণ, আইএনএ বীরকে কুর্নিশ মোদীর

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর