নয়া জামানা, নদীয়া: এই রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে সবার আগে বন্ধ করা হবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ। বেছে বেছে অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করা হবে। তন্তুদের জন্য হাফ তৈরি করেছে তৃণমূল সরকার, যেখানে বিক্রি করা হচ্ছে নকল শাড়ি। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর তন্তুজীবীদের জন্য খুলে যাবে ভাগ্যের চাকা। সঠিক দামে আসল তাঁতের শাড়ির জন্য একাধিক ব্যবস্থা করবে বিজেপি সরকার। বর্তমানে গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে চলছে লুটপাটের সরকার। ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি। ৮ই ফেব্রুয়ারি, রবিবার নদীয়ার শান্তিপুরে তাঁত শিল্পী সম্মেলনে যোগ দিয়ে এমনটাই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজ সিং। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার ও বিজেপির একাধিক বিধায়কগণ।তাঁত শিল্প সম্মেলনের শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গিরিরাজ সিং তুলে ধরেন শান্তিপুরের তাঁত শিল্প সহ গোটা রাজ্যের তাঁত শিল্পের উন্নয়নের কথা। বস্ত্র মন্ত্রীর দাবি, শান্তিপুরের হস্ত চালিত তাঁতশিল্প ধ্বংসের মুখে, সঠিক দাম পাচ্ছে না তন্তুজীবীরা।গোটা রাজ্যজুড়ে ছেয়ে গেছে নকল শাড়িতে, তাঁত শিল্পীদের কথা ভাবছে না তৃণমূল সরকার। ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে তাঁত শিল্পীদের জন্য গোটা রাজ্যে গড়ে উঠবে একের পর এক উন্নয়ন। তাঁত শিল্পীদের ঘুরে যাবে ভাগ্যের চাকা। ন্যায্য মূল্য পাবে তাঁতিরা। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁত শিল্পীদের অবস্থা করুন।পাওয়ারলুমে তৈরি শাড়ি হ্যান্ডলুম বলে বিক্রি করা হচ্ছে।জামদানি শাড়ির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। তাঁত শিল্পীদের কথা ভাবছে না এই রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় সরকার চাইছে এই তাঁত শিল্পকে বিশ্বের দরবারে নিয়ে যাওয়ার জন্য। আমরাও সেই চেষ্টা করছি। অন্যদিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না রাজ্যের শাসক দলকে। তুলে ধরলেন একাধিক দুর্নীতির কথা। কটাক্ষের সুরে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, তৃণমূল বলে আর কিছু নেই, তৃণমূল চলে গেছে।তৃণমূলের বিদায় নিশ্চিত! আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিই সরকার গড়বে।
আরও পড়ুন-
সংখ্যালঘুরা ক্রিমিনাল নন, দেশের সম্পদ, অগ্নিমিত্রাকে জবাব ফিরহাদ-সিদ্দিকুল্লার