ব্রেকিং
  • Home /
  • বিদেশ /
  • উটেরও এবার পাসপোর্ট! ভিশন ২০৩০–এ পশুসম্পদ ব্যবস্থাপনায় নতুন দিগন্ত

উটেরও এবার পাসপোর্ট! ভিশন ২০৩০–এ পশুসম্পদ ব্যবস্থাপনায় নতুন দিগন্ত

নয়া জামানা ডেস্ক: রাষ্ট্র যখন আধুনিকতার পথে হাঁটে, তখন উন্নয়নের সংজ্ঞাও বদলে যায়। শুধু শহর, শিল্প বা প্রযুক্তি নয়—পশুসম্পদও হয়ে ওঠে জাতীয় সম্পদের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেই ভাবনাকেই বাস্তবে রূপ দিতে এবার অভিনব পদক্ষেপ নিল সৌদি আরব। দেশটির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও....

উটেরও এবার পাসপোর্ট! ভিশন ২০৩০–এ পশুসম্পদ ব্যবস্থাপনায় নতুন দিগন্ত

নয়া জামানা ডেস্ক: রাষ্ট্র যখন আধুনিকতার পথে হাঁটে, তখন উন্নয়নের সংজ্ঞাও বদলে যায়। শুধু শহর, শিল্প....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

নয়া জামানা ডেস্ক:  রাষ্ট্র যখন আধুনিকতার পথে হাঁটে, তখন উন্নয়নের সংজ্ঞাও বদলে যায়। শুধু শহর, শিল্প বা প্রযুক্তি নয়—পশুসম্পদও হয়ে ওঠে জাতীয় সম্পদের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেই ভাবনাকেই বাস্তবে রূপ দিতে এবার অভিনব পদক্ষেপ নিল সৌদি আরব। দেশটির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা উটের জন্য চালু হতে চলেছে বিশেষ ‘পাসপোর্ট’। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও, এই সিদ্ধান্তই প্রমাণ করে কতটা সুপরিকল্পিতভাবে ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে রিয়াদ।

সৌদি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ‘ক্যামেল পাসপোর্ট’ নামের এই নথির মাধ্যমে প্রতিটি উটের পরিচয়, স্বাস্থ্য, মালিকানা ও বংশগত তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করা হবে। আধুনিক মাইক্রোচিপ প্রযুক্তির সাহায্যে উটের নাম, নম্বর, জন্মতারিখ, লিঙ্গ, জাত, রং, প্রজনন সক্ষমতা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত টিকাকরণ ও চিকিৎসার ইতিহাস—সবকিছু থাকবে একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেসে। অর্থাৎ, উটও পাবে একপ্রকার নাগরিক পরিচয়পত্র।

এই উদ্যোগের গুরুত্ব কেবল প্রশাসনিক নয়, অর্থনৈতিকও। সৌদি আরবে প্রায় ২২ লক্ষের বেশি উট রয়েছে। দুধ, মাংস, চামড়া, পর্যটন ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতার সঙ্গে জড়িত এই বিশাল শিল্প। অথচ এতদিন সুনির্দিষ্ট নথিভুক্তির অভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ, রোগ প্রতিরোধ বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নানা সমস্যা তৈরি হত। পাসপোর্ট চালুর ফলে একদিকে যেমন স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে, তেমনি উটের কেনাবেচা ও রপ্তানিও হবে স্বচ্ছ ও নিরাপদ।

এখানেই সৌদি সরকারের দূরদর্শিতা স্পষ্ট। উন্নয়ন মানে কেবল কংক্রিটের শহর গড়া নয়; প্রাকৃতিক ও প্রাণীসম্পদকে প্রযুক্তির আওতায় এনে সুরক্ষিত করাই টেকসই অগ্রগতি। উট সৌদি সংস্কৃতির প্রতীক—মরুভূমির জীবনের সঙ্গী। সেই ঐতিহ্যকে আধুনিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত করাই এই প্রকল্পের সবচেয়ে বড় সাফল্য।

বিশ্বে যেখানে এখনও অনেক দেশ পশুপালন খাতে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহেই পিছিয়ে, সেখানে সৌদি আরবের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে উদাহরণ হতে পারে। ভবিষ্যতে অন্য দেশও হয়তো এমন পথ অনুসরণ করবে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, উটের পাসপোর্ট কেবল একটি কাগজ নয়—এটি উন্নয়ন, প্রযুক্তি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য সমন্বয়ের প্রতীক। ভিশন ২০৩০–এর পথে সৌদি আরব যে সত্যিই নতুন ভাবনার দিশা দেখাচ্ছে, এই উদ্যোগ তারই স্পষ্ট প্রমাণ।

আরও পড়ুন-

 

হাওড়ায় বাড়ছে ওয়ার্ডের সংখ্যা, ভোটের জট কাটাতে নতুন বিল

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর