ব্রেকিং
  • Home /
  • দেশ /
  • সুপ্রিম কোর্টে পিছল আইপ্যাক মামলা! ,ইডির এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন নবান্নের, পরবর্তী শুনানি কবে?

সুপ্রিম কোর্টে পিছল আইপ্যাক মামলা! ,ইডির এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন নবান্নের, পরবর্তী শুনানি কবে?

নয়া জামানা ডেস্ক : সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছিয়ে গেল তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। মঙ্গলবার বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট -এর....

সুপ্রিম কোর্টে পিছল আইপ্যাক মামলা! ,ইডির এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন নবান্নের, পরবর্তী শুনানি কবে?

নয়া জামানা ডেস্ক : সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছিয়ে গেল তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

নয়া জামানা ডেস্ক :  সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছিয়ে গেল তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানি। মঙ্গলবার বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট -এর সময় চাওয়ায় তা স্থগিত হয়ে যায়। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার আদালত কক্ষের কার্যক্রম শুরু হলে ইডির পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা জানান, রাজ্যের জমা দেওয়া হলফনামাটি খতিয়ে দেখার জন্য এবং নিজেদের বক্তব্য পেশ করার জন্য তাঁদের আরও কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। রাজ্যের তরফে এই আবেদনে আপত্তি না জানানোয় আদালত ১০ ফেব্রুয়ারি দিনটি ধার্য করে। উল্লেখ্য, সোমবারই রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দিয়ে ইডির দায়ের করা মামলা খারিজের দাবি জানিয়েছিল।

রাজ্য সরকারের পেশ করা হলফনামায় অত্যন্ত কড়া ভাষায় ইডির এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। নবান্নের দাবি, সুপ্রিম কোর্টে এই ধরনের মামলা সরাসরি দায়ের করার কোনও আইনি অধিকার ইডির নেই। তল্লাশির পদ্ধতিতেও পদ্ধতিগত ভুল ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ওঠা তদন্তে বাধার অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজ্য। হলফনামায় জানানো হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী তদন্তে কোনো বাধা দেননি বরং প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়েই দলীয় নথিপত্র সংগ্রহ করেছিলেন।

বিবাদের সূত্রপাত গত ৮ জানুয়ারি। কয়লা পাচার মামলার তদন্তে সল্টলেকে আইপ্যাক দপ্তর এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের আবাসে তল্লাশি চালায় ইডি। সেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে তিনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিজের জিম্মায় নেন। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি সাফ জানান, ওই নথিপত্রগুলি তাঁর দলের নির্বাচনী রণকৌশল সংক্রান্ত এবং অত্যন্ত গোপনীয়। ইডি সেগুলি ‘ছিনতাই’ করার চেষ্টা করছিল বলেই তিনি অভিযোগ করেন।

মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপকে তদন্তে বাধা হিসেবে গণ্য করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। ইডির অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং তদন্তে বিঘ্ন ঘটিয়েছেন এবং এই কাজে তাঁকে সাহায্য করেছেন রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার ও কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা। এই ঘটনার প্রেক্ষিতেই ইডি এবং তিন তদন্তকারী অফিসার পৃথকভাবে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর