ব্রেকিং
  • Home /
  • Uncategorized /
  • লক্ষ্য তৃতীয় অর্থনীতি : নির্মলার বাজেটে ‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্ন দেখছেন মোদী

লক্ষ্য তৃতীয় অর্থনীতি : নির্মলার বাজেটে ‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্ন দেখছেন মোদী

দীপঙ্কর দোলাই, নয়া জামানা লক্ষ্য বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি।২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটকে সেই লক্ষ্যপূরণের ‘মহাসড়ক’ হিসেবেই দেখছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার লোকসভায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের বাজেট বক্তৃতার পর উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী একে ‘ঐতিহাসিক’ ও ‘স্বপ্নপূরণের বাজেট’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। মোদীর....

লক্ষ্য তৃতীয় অর্থনীতি : নির্মলার বাজেটে ‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্ন দেখছেন মোদী

দীপঙ্কর দোলাই, নয়া জামানা লক্ষ্য বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি।২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটকে সেই লক্ষ্যপূরণের ‘মহাসড়ক’ হিসেবেই....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

দীপঙ্কর দোলাই,  নয়া জামানা

লক্ষ্য বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি।২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটকে সেই লক্ষ্যপূরণের ‘মহাসড়ক’ হিসেবেই দেখছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার লোকসভায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের বাজেট বক্তৃতার পর উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী একে ‘ঐতিহাসিক’ ও ‘স্বপ্নপূরণের বাজেট’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। মোদীর দাবি, এই বাজেট কেবল সংস্কারকে গতি দেবে না, বরং ২০৪৭ সালের ‘বিকশিত ভারত’-এর ভিত মজবুত করবে। তবে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসার মাঝেই শেয়ার বাজারের রক্তক্ষরণ এবং বিরোধীদের কড়া সমালোচনা ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক বিতর্ক।

দেড় ঘণ্টার বাজেট বক্তৃতা শেষে জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্মলাজির এই বাজেট ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি বানাবে।’ তাঁর মতে, এটি সাধারণ মানুষের চাহিদার কথা মাথায় রেখে তৈরি। বাজেটে সেমিকন্ডাক্টর ও বায়ো-ফার্মার মতো আধুনিক শিল্পে জোর দেওয়ার প্রশংসা করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, এই বাজেট যুবশক্তির স্বপ্ন ও সঙ্কল্পের প্রতিফলন। বেকারত্ব ঘোচাতে এবং ছোট ব্যবসায়ীদের দিশা দেখাতে এই বাজেট অদ্বিতীয়। মোদী বলেন, ‘১৪০ কোটি ভারতবাসীর আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এই বাজেট। দেশের সংস্কারযাত্রা এতে আরও শক্তিশালী হল।’

মহিলা ও কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে বাজেটে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের ১০ কোটির বেশি মহিলা এখন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের জন্য একটা আধুনিক ইকোসিস্টেম কী ভাবে বানানো যায়, বাজেটে তার ভাবনা রয়েছে। আমরা চাই, দেশের প্রতি ঘরে লক্ষ্মী আসুন।’ উত্তর-পূর্ব ভারতের পর্যটন এবং নারকেল ও কাজু চাষিদের জন্য এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের ভাবনাকেও স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। ইইউ-এর সঙ্গে সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির সুফল যাতে যুবসমাজ পায়, বাজেটে সেই পথও প্রশস্ত করা হয়েছে।

তবে মুদ্রার উল্টো পিঠও ধরা পড়েছে এদিন। নির্মলা সীতারমণ সিকিউরিটিজ ট্রানজ্যাকশন ট্যাক্স (এস.টি.টি) বৃদ্ধি এবং মূলধনী মুনাফার ওপর কর চাপানোর ঘোষণা করতেই ধস নামে শেয়ার বাজারে। এক ধাক্কায় ১৬০০ পয়েন্ট পড়ে যায় সেনসেক্স, নিফটি পড়ে ৪৮১ পয়েন্ট। লগ্নিকারীদের এই অসন্তোষের মাঝেই সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বাজেটকে ‘হাম্পটি ডাম্পটি’ বলে কটাক্ষ করেছেন। তাঁর কথায়, ‘এই বাজেট সম্পূর্ণ গরিববিরোধী, মহিলা বিরোধী এবং কৃষকবিরোধী বাজেট। কোনও ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও দিশা নেই।’ বাংলার ২ লক্ষ কোটি টাকা বকেয়া নিয়ে ফের সরব হয়েছেন তিনি। অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ মূলধনী ব্যয়ের অপ্রতুলতা নিয়ে বাজেটকে ‘দিশাহীন’ তকমা দিয়েছেন। ফাইল ফটো।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর