ব্রেকিং
  • Home /
  • দেশ /
  • বাজেটের আগেই ধামাকা! চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি ভারত, বেকারত্ব নিয়ে এল বড় আপডেট

বাজেটের আগেই ধামাকা! চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি ভারত, বেকারত্ব নিয়ে এল বড় আপডেট

বিশ্বজুড়ে চলা আর্থিক ডামাডোলের মধ্যেই ভারতীয় অর্থনীতির ভিত যে যথেষ্ট মজবুত, তা ফের স্পষ্ট হল সরকারি পরিসংখ্যানে। বৃহস্পতিবার সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের ‘অর্থনৈতিক সমীক্ষা’ পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই রিপোর্টে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভারত এখন জাপানকে পিছনে ফেলে বিশ্বের....

বাজেটের আগেই ধামাকা! চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি ভারত, বেকারত্ব নিয়ে এল বড় আপডেট

বিশ্বজুড়ে চলা আর্থিক ডামাডোলের মধ্যেই ভারতীয় অর্থনীতির ভিত যে যথেষ্ট মজবুত, তা ফের স্পষ্ট হল সরকারি....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন


বিশ্বজুড়ে চলা আর্থিক ডামাডোলের মধ্যেই ভারতীয় অর্থনীতির ভিত যে যথেষ্ট মজবুত, তা ফের স্পষ্ট হল সরকারি পরিসংখ্যানে। বৃহস্পতিবার সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের ‘অর্থনৈতিক সমীক্ষা’ পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই রিপোর্টে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভারত এখন জাপানকে পিছনে ফেলে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। নানা বাধা সামলেও দেশ এখন দ্রুত ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছোঁয়ার দিকে এগিয়ে চলেছে। আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৬.৮ শতাংশ থেকে ৭.২ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। যদিও চলতি বছরে বৃদ্ধির হার ৭.৪ শতাংশ ছুঁতে পারে বলে মনে করছে সরকার, যা প্রত্যাশার তুলনায় অনেকটাই বেশি।

আগামী বাজেটের আগে এই সমীক্ষা রিপোর্টটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এতে দেখা যাচ্ছে, পরিকাঠামো এবং সুরক্ষার প্রশ্নে কোনও আপস করতে চাইছে না কেন্দ্র। গত বছরের মোট মূলধন ব্যয়ের ৭৫ শতাংশই খরচ হয়েছে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে— প্রতিরক্ষা, রেলপথ এবং সড়ক পরিবহণ। তবে শুধু খরচ নয়, কর্মসংস্থানের পরিসংখ্যানেও কিছুটা স্বস্তির ছবি ধরা পড়েছে এই রিপোর্টে। ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে বেকারত্বের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০১৭-১৮ সালে যা ছিল ৬ শতাংশ, ২০২৩-২৪ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩.২ শতাংশে। শহরাঞ্চলেও বেকারত্বের হার সামান্য উন্নতির দিকে।

বিদেশি লগ্নির ক্ষেত্রে বরাবরের মতো আকর্ষণ ধরে রেখেছে পরিষেবা ক্ষেত্র। মোট ইকুইটি প্রবাহের ১৯.১ শতাংশ বিনিয়োগই এসেছে এই খাতে। এর ঠিক পরেই রয়েছে কম্পিউটার সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার বিভাগ। তবে বিনিয়োগ আসলেও দেশের গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) নিয়ে কিছুটা চিন্তার ভাঁজ রয়েছে সরকারের কপালে। রিপোর্টে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ভারতে শিল্প গবেষণা এখনও মূলত ওষুধ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং প্রতিরক্ষা খাতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এই ক্ষেত্রটিকে আরও ব্যাপক ও বিস্তৃত করা জরুরি বলে মনে করছে কেন্দ্র।

সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির খবর শুনিয়েছে মূল্যবৃদ্ধি বা মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাস। সমীক্ষা অনুযায়ী, সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতি এবং জিএসটি হারের ইতিবাচক প্রভাবের ফলে অদূর ভবিষ্যতে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে। এতে মধ্যবিত্তের পকেটে টান পড়ার সম্ভাবনা কমবে এবং উপভোক্তারা স্বস্তি পাবেন। সামগ্রিকভাবে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতের প্রভাব উত্তরোত্তর বাড়ছে। এই সমীক্ষা আগামী অর্থবর্ষের সরকারি নীতি নির্ধারণে দিশারি হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।


 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর