• Home /
  • উপ-সম্পাদকীয় /
  • পাকিস্তানে বন্দি হওয়ার একমাস পর বাড়ি ফিরছেন পূর্ণম! ঘড়ির কাটা পাঁচটা ছোঁয়ার অপেক্ষায় রিষড়াবাসী

পাকিস্তানে বন্দি হওয়ার একমাস পর বাড়ি ফিরছেন পূর্ণম! ঘড়ির কাটা পাঁচটা ছোঁয়ার অপেক্ষায় রিষড়াবাসী

দীর্ঘ একমাস! এপ্রিল ২৩, কর্মরত অবস্থায় ভুল করে বর্ডার পেরিয়ে পাক রেঞ্জার্সের হাতে আটক। আজ মে ২৩, বাড়ি ফিরছেন হুগলি রিষড়ার বাসিন্দা বিএসএফ জওয়ান পূর্ণমকুমার সাউ। শুক্রবার বিকেল ৫টা নাগাদ তিনি বাড়ি ফিরবেন। এই খবর পেতেই খুশির হাওয়া পরিবার-সহ....

পাকিস্তানে বন্দি হওয়ার একমাস পর বাড়ি ফিরছেন পূর্ণম! ঘড়ির কাটা পাঁচটা ছোঁয়ার অপেক্ষায় রিষড়াবাসী

দীর্ঘ একমাস! এপ্রিল ২৩, কর্মরত অবস্থায় ভুল করে বর্ডার পেরিয়ে পাক রেঞ্জার্সের হাতে আটক। আজ....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

 দীর্ঘ একমাস! এপ্রিল ২৩, কর্মরত অবস্থায় ভুল করে বর্ডার পেরিয়ে পাক রেঞ্জার্সের হাতে আটক। আজ মে ২৩, বাড়ি ফিরছেন হুগলি রিষড়ার বাসিন্দা বিএসএফ জওয়ান পূর্ণমকুমার সাউ। শুক্রবার বিকেল ৫টা নাগাদ তিনি বাড়ি ফিরবেন। এই খবর পেতেই খুশির হাওয়া পরিবার-সহ গোটা এলাকায়। বাবার সঙ্গে খেলার জন্য অধীর অপেক্ষায় ছেলে।

ভারতের প্রবল কূটনৈতিক চাপে আটক জওয়ানকে ২২ দিন পর ফেরাতে বাধ্য হয় পাকিস্তান। ১৪ মে ওয়াঘা-আটারি সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরানো হয় পূর্ণমকে। ফোনে, ভিডিও কলে অন্তঃসত্বা স্ত্রীর সঙ্গে কথা হয় তাঁর। কিন্তু তখনই বাড়ি ফিরতে পারেননি। স্বাস্থ্যপরীক্ষা, পাকিস্তানে তাঁর উপর কী কী অত্যাচার করা হয়েছে, মানসিকভাবে পূর্ণম কতটা ঠিক রয়েছেন সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হয়। সেই পর্ব মিটতেই দেশে ফেরার ৯ দিনের মাথায় হুগলির বাড়িতে ফিরছেন জওয়ান।

পূর্ণমের বাড়িতে আসার খবর চাউর হওয়ার পরই রিষড়ায় তাঁর বাড়ি এলাকায় যেন উৎসবের মরশুম! বাড়িতে শুরু হয়েছে অকাল উৎসব। খুশির জোয়ারে ভেসেছেন পরিবারের সদস্যরা। স্ত্রী রজনী জানাচ্ছেন, এখন স্বামীর বাড়ি ফিরে আসার রয়েছেন তিনি। বাবা-মা বলছেন, ছেলে তাড়াতাড়ি ঘরে ফিরুক। তবে তাঁরা আগেই জানিয়ে রেখেছেন ছেলেকে ফের দেশরক্ষার কাজে পাঠাবেন। এখন ঘড়ির কাটা পাঁচটা ছোঁয়ার অপেক্ষায় পরিবার।

উল্লেখ্য, পহেলগাঁও হামলার পরদিন অর্থাৎ ২৩ এপ্রিল ভুল করে পাক ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছিলেন হুগলির পূর্ণমকুমার সাউ। সেই থেকে পাক সেনার হাতে বন্দি ছিলেন তিনি। স্বামীর খোঁজে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রজনী গিয়েছিলেন বিএসএফের হেড কোয়ার্টারেও। আশ্বাস নিয়ে ঘরে ফিরলেও আতঙ্ক ছিলই। ৭ মে অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গিঘাঁটিতে ভারতের ক্ষেপনাস্ত্র হামলার পর কার্যত স্বামী ফেরার আশাই ছেড়েছিলেন রজনী। এদিকে পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের ফ্ল্যাগ মিটিং চলছিলই। অবশেষে ১৪ তারিখ ফ্ল্যাগ মিটিংয়ে মাথা নত করতে বাধ্য হয় শরিফের দেশ। এরপরই পূর্ণমকে মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় তাঁরা। তখনই জানা গিয়েছিল সবকিছু ঠিক থাকলে দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হবে। শুক্রবার বাড়ি ফিরছেন জওয়ান।

 

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:

আজকের খবর